বাচ্চা জন্মানোর পর পর মাথার আকৃতি নিয়ে একটা দু:চিন্তায় পড়ে যায় বাব-মা বা পরিবারের সদস্যরা। মাথা গোল করার একটা চেষ্টা শুরু করে সবাই। জন্মের সময় বাচ্চার মাথা সাধারণত গোল থাকেনা। এছাড়াও মাথা একটু নরম থাকে। কেননা মাথার অস্থিগুলো এইসময় পুরোপুরিভাবে বেড়ে উঠেনা। নয়ত সন্তান জন্ম নেয়াটাই খুব কঠিন ও অনিরাপদ হয়ে যেত।

► এই পোষ্ট মাথার আকৃতি কিভাবে সুন্দর করা যায় বা গোল করা যায় এটি নিয়ে। সাধারণত আমাদের দেশে বাচ্চাকে গোল বালিশ বা কাপড় দিয়ে গোল করে বালিশের মত করে কিছু বানিয়ে তাতে শোয়ানো হয় মাথার আকৃতি ঠিক করার জন্য।

বিষয়টি দেখত বা শুনতে নিদোর্ষ মনে হলেও মাঝে মাঝে বিপদের কারণও হতে পারে। বাবুর নাক-মুখ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যখন বাচ্চা উল্টো যেতে পারে তখন।এইজন্য জন্মের পরে প্রথম ৬ মাস ডাক্তারদের পরামর্শ থাকে শিশুকে কোন কিছু না দিয়ে বা বালিশ ব্যবহার না করে সরাসরি ঘুম পাড়ানোর। কিন্তু তাহলে মাথা গোল হবে কিভাবে?

দুইটা কাজ করলেই সাধারণত মাথার আকৃতি সুন্দর হয়ে য়ায়। 
• বাচ্চারা সাধারণত সোজা হয়ে শুয়ে থাকেনা। মাথা ডান বা বামে কাত করে ফেলে। লক্ষ্য রাখুন কোন দিকে বেশি কাত হয়ে ঘুমাতে পছন্দ করে। মাঝে মাঝে বিপরীত দিকে কাত করে দিন।

• বাচ্চার বয়স ১ মাস পার হলে বাচ্চাকে দিনে কয়েকবার টামি টাইম করাতে হবে। টামি টাইম পোষ্টের ছবির মত। উল্টো করে বাচ্চাকে পেটের উপরে শুইয়ে দেয়া। যদি কান্না করে তাহলে বেশিক্ষণ না দিয়ে কোলে নিয়ে নিতে হবে। সাধারণত ৪-৫ মিনিটই যথেষ্ট প্রতিবারে।

টামি টাইমের ৩টি সুবিধা। 
১. মাথার আকৃতি ঠিক বা সুন্দর হতে সাহায্য করে। 
২. ঘাড়ের পেশী শক্তিশালী হয়। 
৩. পেটে থাকা গ্যাসও অনেক সময় বের হয়ে আছে।

৩টিই বাচ্চার জন্য সুফল বয়ে নিয়ে আসে। এইজন্য বাচ্চাকে টামি টাইম করানোর অভ্যেস গড়ে তুলুন। 🙂

নবজাতকের মাথা গোল করা